• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ০১:১৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
সৌদি আরবকে বন্ধু ঘোষণা করলেন ট্রাম্প ‘আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেন ওসি সায়েদ ও এএসআই বিশ্বজিৎ’ গাজীপুরে কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত ‘নির্বাচন নিয়ে কেউ কেউ গাছে কাঁঠাল রেখে গোপে তেল দিচ্ছেন’ কনসার্টে আতিফ আসলামের বিরুদ্ধে নাচ নকলের অভিযোগ শততম টেস্টে ফিফটি, ইতিহাস গড়তে পারবেন মুশফিক? একাত্তরের যুদ্ধের পর চব্বিশের যুদ্ধে এসে সেই তরুণদের দেখলাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘মব ভায়োলেন্স’ থেকে সরে আসতে হবে: মির্জা ফখরুল নির্বাচন উৎসবমুখর করতে সেনাবাহিনীর সহায়তা দরকার: প্রধান উপদেষ্টা

ইউক্রেনের জন্য চূড়ান্ত অস্ত্র সহায়তা ঘোষণা করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

রিপোর্টার নাম: / ৭৩ জন দেখেছে
আপডেট : শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
ইউক্রেনের জন্য চূড়ান্ত অস্ত্র সহায়তা ঘোষণা করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইউক্রেন নিরাপত্তা সহায়তা উদ্যোগ (ইউএসএআই) প্যাকেজের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে। এই প্যাকেজের আওতায় ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দকৃত শেষ তহবিল ব্যবহার করে নতুন অস্ত্র ক্রয় করা হবে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সূত্রমতে, এই প্যাকেজে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ইন্টারসেপ্টর ও কামানের গোলাবারুদ রয়েছে। প্যাকেজের সুনির্দিষ্ট উপাদানগুলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর জানা যাবে। এই প্যাকেজের মূল্য প্রায় ১২০ কোটি ডলার হতে পারে।

ইউএসএআই প্রোগ্রামের আওতায়, সামরিক সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান মজুদ থেকে নয়, বরং প্রতিরক্ষা শিল্প বা অংশীদার দেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়। ফলে সরঞ্জামগুলো ইউক্রেনের মাটিতে পৌঁছাতে কয়েক মাস বা কখনও কখনও বছরও লেগে যেতে পারে।

এই প্যাকেজ বাইডেন প্রশাসনের ইউক্রেনকে সরাসরি সামরিক সহায়তা প্রদানের শেষ পদক্ষেপগুলোর একটি হতে পারে। কারণ, কিয়েভের জন্য এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আভাস দিচ্ছে আগামী জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন। ট্রাম্প এর আগে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ক্ষমতায় ফিরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬১.৪ বিলিয়ন ডলার নিরাপত্তা সহায়তা হিসেবে ব্যয় হয়েছে। নিরাপত্তা সহায়তার প্রায় অর্ধেক এসেছে ইউএসএআই প্রোগ্রামের মাধ্যমে, আর বাকিটা প্রেসিডেন্সিয়াল ড্র-ডাউন অথরিটির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে ড্র-ডাউন অথরিটির আওতায় প্রায় ৫.৬ বিলিয়ন ডলার অবশিষ্ট রয়েছে।

ইউএসএআই প্রোগ্রাম যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য নতুন অর্ডার ও আয়ের পথ খুলে দিয়েছে। এর একটি উদাহরণ হলো এল৩হ্যারিস টেকনোলজিসের ভ্যাম্পায়ার সিস্টেম। এই ড্রোনবিরোধী ব্যবস্থা প্রথম ইউএসএআই তহবিলের অর্ডার পায় ২০২২ সালের আগস্টে। এল৩হ্যারিস ১২ মাসের মধ্যে প্রথম চারটি ইউনিট সরবরাহ করে।

বাইডেন প্রশাসনের চূড়ান্ত প্যাকেজের বিস্তারিত প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে, ইউএসএআই তহবিল ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইউক্রেনকে সহায়তা চালিয়ে যাবে।

ট্রাম্প তার প্রচারাভিযানে ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের আরও বেশি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার দল রিপাবলিকানরা আগামী মাস থেকে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। দলটি ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ