• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
ভুয়া অডিও ও এআই জালিয়াতি: সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীতে বংশালে মানবিক সহায়তা: মো. আব্দুর রহমানের বিশেষ উদ্যোগ। ছাত্রদল থেকে বহিষ্কৃত ইয়াসিনের গ্রেপ্তারের দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ৩৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শাহাদাত হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রাজনৈতিক প্রভাবে নিজ জেলায় কর্মরত চিকিৎসক দম্পত্তি। প্রতিহিংসা এবং স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ। নিজের জীবন বাজি রেখে বিএনপির রাজনীতির পথচলায় ক্বারী — কে এই ক্বারী? গ্যাস নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিল সরকার, জারি হলো প্রজ্ঞাপন কুষ্টিয়ায় ব্রাশফায়ারে গুলিবিদ্ধ ১০ মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

‘আঞ্চলিক সহযোগিতা না থাকলে মাতারবাড়ীর সর্ব্বোচ্চ উপযোগিতা অর্জন সম্ভব নয়’

রিপোর্টার নাম: / ১৩৪ জন দেখেছে
আপডেট : রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে গভীর সুমদ্রবন্দর তৈরির জন্য বিনিয়োগ করেছে জাপান। কিন্তু উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা অর্থাৎ ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশ এর সঙ্গে যুক্ত না হলে এটির সর্ব্বোচ্চ উপযোগিতা অর্জন সম্ভব হবে না বলে মনে করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) জাপানের ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং ইকোনোমিকসের সহায়তায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিস (বিস) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, ‘কানেক্টিভিটি নিয়ে কথা বলার সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে কথা না বলে পারছি না। বাংলাদেশ ও ভারতের একজন বন্ধু হিসাবে জাপান বিশ্বাস করে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে আঞ্চলিক কানেক্টিভিটির সুযোগ খুজে বের করা জরুরি।’

যোগাযোগের গুরুত্ব সীমান্ত ও রাজনীতির থেকে বেশি, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করে। এটা ভালো যে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

রাষ্ট্রদূত জানান, গত বছর মার্চে ভারত সফরের সময়ে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফুকিও কিশিদা ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর নীতি সংক্রান্ত নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। যেখানে তিনি এ অঞ্চলের সব দেশের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিশিদা বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে এ অঞ্চলের শিল্পে ভ্যালু চেইন উন্নয়নকে নতুন পরিকল্পনার অংশ বলে জানান। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী সমগ্র বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা বলা হযেছে।’

ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য মাতারবাড়ী প্রকল্প একটি বড় সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এটি একইসঙ্গে আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি শুধুমাত্র দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়, এর সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হওয়ার বিষয় রয়েছে। সেজন্য অর্থনৈতিক সংযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’  

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানান, আঞ্চলিক ও বৃহৎ শক্তির আগ্রহ রয়েছে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের প্রতি। আমরা চাই বঙ্গোপসাগর যেন আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হয় এবং দ্বন্দ্বের ক্ষেত্র না হয়, সংযুক্তির ক্ষেত্র হয় এবং সংঘাতের জায়গা না হয়।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সমৃদ্ধির জন্য এখানকার দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও শান্তি থাকাটা জরুরি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ