• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
রাজধানীর ২নং ওয়ার্ডে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ‘জনতার কাউন্সিলর’ মীর ইমরান হোসেন মিথুনের ইফতার বিতরণ আলভীর সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন তিথি মার্কিন দূতাবাসে হামলা, ব্যক্তিগত বিমানে সৌদি ছাড়লেন রোনালদো কড়াইল বস্তিতে ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘হাইকোর্ট না রাজপথ’ স্লোগান দিতে বাধ্য করবেন না: নাহিদ ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে ইসরাইলের হামলা স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্রধান আসামি আলভী ও তিথি আলভী আমার মেয়েকে মেরে ফেলছে: ইকরার বাবা অপরাজিত থেকেই সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা, শেষ চারে প্রতিপক্ষ কে? ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের কড়া পদক্ষেপ

বাবা ছিলেন জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী, মেয়ে তারেক রহমানের

অনলাইন ডেক্স / ৩১ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাবা ছিলেন জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী, মেয়ে তারেক রহমানের

বাবা ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য। মেয়ে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। বলছি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের কথা।

ফরিদপুর- ২ আসনের সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা) আসনে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ৩২ হাজার ৩৮৯ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন।

শামা ওবায়েদ প্রবীণ রাজনীতিবিদ প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানের কন্যা। শামা ওবায়েদ তার নির্বাচনি এলাকায় জনগণের পাশে থেকে ব্যাপক কাজ করেছেন। সেই কারণে ভোটারদের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন।

নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন ছিল তার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার। এবার সে গুঞ্জনই সত্যি হলো।

শামা ওবায়েদের বাবা কে এম ওবায়দুর রহমান বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। তিনি ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৩-১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর তিনি খোন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকারে যোগ দেন। ১৯৭৫ সালের জেল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে জেল হত্যা মামলায় তিনি খালাস পেয়েছিলেন।

১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬-১৯৮৮ সালে তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। জুন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে ফরিদপুর-২ আসনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।আমৃত্যু বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ