spot_img
মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪
শিরোনামঃ
||শ্রীমঙ্গলে বিশ মেডিটেশন দিবস পালিত||বাঘায় তিন পদে ৮ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ||নড়াইলে সম্মেলন হয় না ২৮ বছর ঝিমাচ্ছে যুব রাজনীতি||নড়াইলে ফেনসিডিল বহনের দায়ে দুই ব্যক্তির যাবজ্জীবন||নড়াইলের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ! আতঙ্কিত জনপদের নাম লোহাগড়া||নড়াইলে মাশরাফির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ||মৌলভীবাজার পুনাকের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ||মৌলভীবাজারে পুনাক বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন||আড়ানী পৌর আঞ্চলিক শাখার বাপা’র কমিটি গঠন||শ্রীমঙ্গলে স্কুল বাজেট প্রণয়নে নাগরিক সচেতনতামুলক টাউনহল মিটিং||অবশেষে স্বস্থির বৃষ্টি শ্রীমঙ্গলে||নাটোরের ১১৫ বছর বয়সী অন্ধ রহমান বাঁশ ও দড়ি বেয়ে মসজিদে যাচ্ছেন ১৩ বছর ধরে||শৈলকূপায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত||নড়াইলে ধানের দাম কম, ন্যায্য মূল্য না পেয়ে কৃষকরা হতাশ||২০ গ্রামের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায় হতে যাচ্ছে জামনগর বড়াল নদের উপর ব্রীজ নির্মান
Homeঅর্থনীতিতিন মাসে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩৭, ৮৪৩ কোটি টাকা

তিন মাসে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩৭, ৮৪৩ কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট

- Advertisement -spot_img

বেড়েই চলেছে সরকারের ঋণ গ্রহণ প্রবণতা। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২৩) শেষে সরকারের মোট (অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক) পুঞ্জীভূত ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৩৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে বা ২০২৩ সালের জুন শেষে সরকারের মোট পুঞ্জীভূত ঋণস্থিতি ছিল ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের প্রকৃত ঋণ বেড়েছে ৩৭ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা।

গেল সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সরকারের পুঞ্জীভূত ঋণস্থিতির সর্বশেষ এ হিসাব চূড়ান্ত করেছে।

অর্থ বিভাগ সূত্র মতে, করোনা-উত্তর পরিস্থিতি মোকাবেলা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধজনিত কারণে সরকারের ব্যয় বাড়ার কারণে সার্বিক ঋণ স্থিতি বেড়েছে। তবে এটি এখনো ঝুঁকিসীমার অনেক নিচে রয়েছে বলে দাবি করা হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ‘টেকসই ঋণ কাঠামো’ (ডেট সাসটেইনেবল ফ্রেমওয়ার্ক-ডিএসএফ)-এর মানদণ্ড অনুযায়ী, জিডিপির ৫৫ শতাংশ ঋণকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, জিডিপি অনুপাতে সরকারের ঋণ বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও কর জিডিপি অনুপাতে এই ঋণ অনেক আগেই বিপদসীমা অতিক্রম করে গেছে। আগামী সরকারের ঋণ ও সুদের দায় আরো বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে এবারই প্রথমবারের মতো সরকারের বিদেশী ঋণ ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

এ দিকে, অর্থ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এই ঋণের বাইরেও সরকার প্রদত্ত কিছু আর্থিক গ্যারান্টি রয়েছে। গত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর শেষে সরকারের পুঞ্জীভূত আর্থিক গ্যারান্টির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৯৫ হাজার ৯৪২ কোটি ২১ লাখ টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক উৎসের গ্যারান্টির পরিমাণ ৬৩ হাজার ৬৬৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎসের গ্যারান্টির পরিমাণ ৩২ হাজার ২৭২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, সার্বিকভাবে টাকার অঙ্কে পুঞ্জীভূত ঋণস্থিতি বাড়লেও গত সেপ্টেম্বর শেষে জিডিপির আকার অনুযায়ী সরকারের ঋণ অনুপাত প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। গত ২০২৩ সালের জুন শেষে সরকারের মোট পুঞ্জীভূত ঋণের পরিমাণ ছিল জিডিপির ৩৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

অর্থ বিভাগের হিসাব মতে, মোট পুঞ্জীভূত ঋণের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ হচ্ছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৯২ কোটি টাকা (জিডিপির ১৯.৬৩%) এবং বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ হচ্ছে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৪ কোটি টাকা (জিডিপির ১৩.৭২%)।

এর আগে গত বছরের জুন শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ পুঞ্জীভূত ঋণের পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা (জিডিপির ২১.২২%) এবং পুঞ্জীভূত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা (জিডিপির ১৫.১২%)।

অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, সরকারের মোট পুঞ্জীভূত ঋণের ৫৯ শতাংশ হচ্ছে অভ্যন্তরীণ এবং ৪১ শতাংশ হচ্ছে বৈদেশিক ঋণ।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের গৃহীত ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। অন্য দিকে সঞ্চয়পত্র খাতে সরকারের পুঞ্জীভূত ঋণের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এখন এই খাত থেকে ঋণ নেয়ার পরিমাণ নেগেটিভ হয়ে গেছে অর্থাৎ, এরই খাত থেকে ঋণ নেয়ার চেয়ে সরকারকে পরিশোধ করতে হচ্ছে বেশি।

সঞ্চয়পত্র খাতে সংস্কারের ফলে বাজেট ঘাটতি পূরণে এ খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে আরো কমে আসবে বলে মনে করছে অর্থ বিভাগ। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য শূন্যতে নামিয়ে আনতে চায় সরকার।

অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, পুঞ্জীভূত মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের ৫৬ শতাংশ নেয়া হয়েছে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অবশিষ্ট ৩৭ শতাংশ ঋণ নেয়া হয়েছে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে (টাকার অঙ্কে ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা) এবং ৭ শতাংশ নেয়া হয়েছে জিপিএফ তহবিল থেকে (টাকার অঙ্কে ৭১ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা)।

ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে গৃহীত পুঞ্জীভূত ঋণের মধ্যে এই সময়ে ট্রেজারি বিল খাত থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ২০৮ কোটি টাকা, ট্রেজারি বন্ড ও এসপিটিবি খাত থেকে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা ও সুকুক থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়া হয়েছে।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
সর্বশেষ খবর
আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here