• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক / ২৩ ভিজিটর
আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

গ্যাস–সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার পর এবার মিয়ানমারের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। দেশটি থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেশী হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি প্রাধান্য দিচ্ছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে।

এ সময় দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা মেটাতে পাইপলাইনের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এই প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইন করার অতীতের প্রস্তাব নতুন করে আলোচনা শুরুর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর পাইপলাইনে গ্যাস আনার পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হিসেবেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা জানান রাষ্ট্রদূত। জ্বালানিমন্ত্রীও তার এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন।

এতে আরও বলা হয়, জ্বালানি খাতের এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকে বেগবান করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেন।

এ সময় তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন বলে জানান এবং প্রয়োজনে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফর করার ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপিত হলে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ–মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠক করে এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

সাক্ষাৎকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানিসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎসচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ