• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
৩৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শাহাদাত হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রাজনৈতিক প্রভাবে নিজ জেলায় কর্মরত চিকিৎসক দম্পত্তি। প্রতিহিংসা এবং স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ। নিজের জীবন বাজি রেখে বিএনপির রাজনীতির পথচলায় ক্বারী — কে এই ক্বারী? গ্যাস নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিল সরকার, জারি হলো প্রজ্ঞাপন কুষ্টিয়ায় ব্রাশফায়ারে গুলিবিদ্ধ ১০ মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কান্নায় ভেঙে পড়লেন রিতেশ-জেনেলিয়া, মুহূর্তেই ভাইরাল ভিডিও আলোচনার জন্য মঙ্গলবার পাকিস্তান যাচ্ছেন ভ্যান্স ইরান যুদ্ধে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা প্রকাশ করল পেন্টাগন

স্বামীর টাকা চেয়ে শাশুড়ির হেনস্তার শিকার গৃহবধূ

রিপোর্টার নাম: / ১৪৩ জন দেখেছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪

০২১ সালে মাহমুদার স্বামী শাইনুদ্দিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই সময় ঘটনাস্থলে তার ৬ বছরের ছেলে উপস্থিত ছিল। শাইনুদ্দিন মারা যাওয়ার পর তার ব্যবসার সব অর্থ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরিত হয়।

অভিযোগে জানা গেছে, শাইনুদ্দিন মেজর (অব.) মোস্তফা কামাল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যেৌথ ব্যবসা করেন। মৃতু্যর পর তার ব্যবসার মূলধন ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ওই মেজরের কাছে সঞ্চিত ছিল। পরে মেজর মোস্তফা শাইনুদ্দিনের ছেলেমেয়ের কথা ভেবে ওই টাকা শাইনুদ্দিনের মা আকলিমার কাছে জমা রাখেন। পরে তিনি শাইনুদ্দিনের স্ত্রীর কাছে টাকার বিষয়টি পরিষ্কার করেন। সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য মাহমুদা তার শাশুড়ির কাছে স্বামীর টাকা চাইলে তিনি নানা বাহানা শুরু করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এর মীমাংসা করতে চাইলেও মাহমুদার শাশুড়ি তাতে সাড়া দেননি। একপর্যায়ে মাহমুদা ও তার সন্তানদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়।

মাহমুদা বলেন, ৪ বছর আগে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়। তিনি দুটি নাবালক সন্তান রেখে গেছেন। আমার শ্বশুরও অনেক সম্পত্তি রেখে গেছেন। আমার সন্তানদের পড়াশোনার খরচসহ অন্যান্য খরচ চালাতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হয়। শাশুড়িকে ব্যবহার করে আমার ভাসুর মাঈনুদ্দিন একাই সব সম্পত্তি ভোগদখল করছেন। বিষয়টি শাশুড়িকে জানালে তিনি পাত্তা দেন না। উলটো আমাকে হুমকি দেন। আমার স্বামীর ন্যায্য অধিকার ও এতিম বাচ্চাদের যাতে কেউ বঞ্চিত করতে না পারে এজন্য প্রশাসনের সাহায্য চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ