• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম :
সিজারের নামে মরণফাঁদ: মিরপুর জেনারেল হাসপাতালের ‘কসাইখানা’য় সাজানো মৃত্যুপুরী পাটগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪ শান্তি হারিয়ে গেছে সেই ভোজিনিয়ার জীবন থেকে ৩ বছরেও কেন বিয়ের ছবি প্রকাশ করেননি, জানালেন তাপসী পান্নু হাসপাতাল ছাড়লেন ‘রইছ’, কাটেনি শঙ্কা ভিডিও করায় তরুণকে মন্ত্রীর চড়, জবাব পেলেন তাৎক্ষণিক বন্যা ও ভূমিধসে ভারতে ৫৬, নেপালে ১৪ জনের মৃত্যু হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিমের সমালোচনা চাঁদাবাজির বিকল্প হিসেবে ‘পুনর্বাসন দানবক্স’ চালুর ঘোষণা হাসনাত আবদুল্লাহর জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল

কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক / ২৪ ভিজিটর
আপডেট : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী পাশ করেছে। অর্থাৎ, তাদের ফেল করানো হয়েছিল। খাতা দেখায় অবহেলার কারণে এটা ঘটেছে বলে মনে করছি। যারা পাশ করার মতো যোগ্য শিক্ষার্থীদের ফেল করিয়েছেন, সেসব শিক্ষকদের খুঁজে বের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসব শিক্ষকের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। তাদের প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিগগির এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএতেও অনলাইনে বদলির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে যেসব শিক্ষককে রিপ্লেসমেন্ট করতে হবে এবং যারা অ্যাটাচমেন্টে রয়েছেন, সেসব বিষয়ও সেটেল করতে হবে। বদলির ফাইল নিয়ে এনটিআরসিএ কাজ করছে। শিগগির এ প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো।

৮১৭ জন প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগপত্র না পাওয়া নিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আজ পর্যন্ত বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে, ঠিকানা আসছে। অপপ্রচার দেখে আমি একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছিলাম। যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং সেগুলো রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে।’

ভেরিফিকেশন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৬৯ হাজার জনের কাছাকাছি। যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া মেইনটেইন করার জন্য আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। আমাদের কাছে ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের ফাইনাল অ্যাপ্লিকেশন এসেছে। ডিপিও ইস্যু করে নিয়োগপত্র। সে সময় দেখা গিয়েছে তাদের ভেরিফিকেশন এবং অনেকেই ঠিকানা পাল্টিয়েছেন। সেগুলো পর্যায়ক্রমে তারা দিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ