রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অটোরিকশা ছিনতাই এবং পরে সেগুলোর পরিচয় পরিবর্তন করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই চক্রের সঙ্গে সুজন ও ইব্রাহিম নামে দুই ব্যক্তি জড়িত। তাদের দাবি, বাউনিয়াবাঁধ এলাকার একটি গ্যারেজে ছিনতাই করা অটোরিকশা রাখা হয়। পরে ব্যাটারি খুলে এবং গাড়ির রং ও বাহ্যিক চেহারা পরিবর্তন করে সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫টি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের সঙ্গে চক্রটি জড়িত। তবে এই সংখ্যা ও অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও প্রয়োজন।
স্থানীয়দের দাবি, ছিনতাই করা অটোরিকশার পরিচয় দ্রুত পরিবর্তন করা হলে প্রকৃত মালিকদের জন্য নিজেদের গাড়ি শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েন অটোরিকশাচালকেরা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি একাত্তর টেলিভিশনেও এই চক্রকে ঘিরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে ওই প্রতিবেদনে কী তথ্য উঠে এসেছে, তা মূল সম্প্রচার ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সুজন ও ইব্রাহিমের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করার সুযোগ নেই।
চোরাই অটোরিকশার এই অভিযোগের সত্যতা উদ্ঘাটন, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের পথ নিশ্চিত করা এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় এলাকাবাসী।