• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে আসার পথে প্রবাসী নিখোঁজ

অনলাইন ডেক্স / ৪৭ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে আসার পথে প্রবাসী নিখোঁজ

সৌদি আরব থেকে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে ফেরার পথে এক প্রবাসী শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন ৷ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

নিখোঁজ প্রবাসী রফিকুল ইসলাম (৪০) জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের মদনগোপাল এলাকার মৃত লাল মাহমুদ মন্ডলের ছেলে৷

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে ৫ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে আল কাছিম শহরে মিনিস্টার বলোদিয়া কোম্পানির আওতায় গ্যারেজে কাজ করতেন। রফিকুল তার পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে কোম্পানি থেকে ছুটি নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় সৌদি আরবের আল কাছিম বিমানবন্দর থেকে এয়ার এরাবিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে দুবাই হয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হন। বিমানটি দুপুর ২টার দিকে দুবাইয়ের সারজা বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাজনিত কারণে দুবাই থেকে বাংলাদেশে আসার ফ্লাইটটি বাতিল হয়ে যায়। ওইদিন বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা পর্যন্ত রফিকুলের সঙ্গে তার পরিবারের কথা হয়৷ এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়৷ তার ব্যবহৃত ইমো, ফেসবুক ও মেসেঞ্জার সব কিছু অফলাইন দেখাচ্ছে।

এদিকে বাতিল হওয়া ওই ফ্লাইটটি গত ৪ মার্চ বাংলাদেশের হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলেও প্রবাসী রফিকুল বাড়ি ফেরেননি। এখনো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন পার করছে তার পরিবার৷

রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

স্ত্রী মর্জিনা বেগম বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সেহরির সময় আমার স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয়৷ এরপর থেকে আর যোগাযোগ নেই৷ আট দিন ধরে আমার স্বামী নিখোঁজ। সে কোথায় আছেন, কেমন আছেন? আমরা কেউ কিছু জানি না৷ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আকুল আবেদন- ‘আমার স্বামীকে আমাদের কাছে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থ করবেন’।

বড় মেয়ে রাফিয়া ইসলাম বলেন, বাবার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের পর আমরা খুব দুশ্চিন্তায় সময় পার করছি। একসঙ্গে ঈদ করব এই আশায় আছি। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আমার বাবার সন্ধান দিন৷

প্রবাসী ভাগ্নি জামাই ফরহাদ হাসান বলেন, আমার খালু শ্বশুর গ্যারেজে কাজ করতেন৷ এর আগে একবার দেশে ছুটিতেও আসেন৷ পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার জন্য ছুটি নিয়ে দেশে আসার উদ্দেশ্যে রওনা হলেও ৮ দিন থেকে তার খোঁজ মিলছে না৷ আমি নিজেও একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হয়ে সরকারের কাছে আকুল আবেদন করছি, তার সন্ধান যেন বের করা হয়৷

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, আমাদের একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিখোঁজ হয়েছেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা আমাদের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ