সোমবার (২৭ জুলাই) দিনব্যাপী ভোলার বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ড, মেঘনার ভাঙনকবলিত এলাকা এবং সরকারের খাল খনন কর্মসূচির কার্যক্রম পরিদর্শন এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্থ বলেন, জুলাইকে অস্বীকার করে দেশে আসা তো দূরের কথা রাজনীতিতে ফিরে আসাও আমার মনে হয় অনেক কঠিন হয়ে যাবে। জুলাই মাসে দাঁড়িয়ে বলছি, জুলাইয়ের এ সময়ে আমরা রিমান্ডে ছিলাম। যে রক্ত, আত্মত্যাগ, এখনকার মানুষের যে মাইনসেট, জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতির কথা চিন্তা করাও কঠিন।
এ সময় ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাস, ভোলা-১ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ, ভোলা জেলা বিজেপি সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোতাছিন বিল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিনি ভোলা সদর উপজেলার নদী ভাঙন কবলিত সদর শিবপুর ইউনিয়নের ভোলারখাল এলাকা পরিদর্শন করেন এবং আগামী একনেক সভায় ওই এলাকা ভাঙন রোধে সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের ডেকে খাল খনন কর্মসূচি সম্পর্কে তাদের মতামত জানতে চান এমপি পার্থ। এ সময় এমপিকে কাছে পেয়ে স্থানীয়রা খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ দেন। তারা বলেন, খাল খননের নামে শুধু দুই পাশের মাটি তোলা হয়েছে। মাঝখানে খনন করা হয়নি।
পরে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে কাজের শতভাগ স্বচ্ছতার আওতায় এনে কাজের বিল পরিশোধের নির্দেশ দেন। এছাড়া খাল খনন কর্মসূচিতে যেকোনো অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পার্থ।