• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

এবার এমবাপ্পের খোলা চিঠি প্রকাশ

স্পোর্টস ডেক্স / ২৭ ভিজিটর
আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
এবার এমবাপ্পের খোলা চিঠি প্রকাশ

শিরোপা পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপে পা রাখলেও, লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি ফ্রান্স। তবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাতে গর্বিতও তিনি; কিন্তু মূল স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। সোনালী ট্রফিটি আবার উঁচিয়ে ধরতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন তারকা ফরোয়ার্ড।

বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ অবশ্য ক্যারিয়ারের শুরুতেই পেয়েছেন এমবাপ্পে। ২০১৮ সালের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়েছিল ফরাসিরা। সেবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে একটিসহ আসরে মোট চার গোল করেছিলেন ওই সময়ের তরুণ সেনসেশন এমবাপ্পে।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আরও উজ্জ্বল ছিলেন তিনি। ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ আসরে মোট আটটি গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। সেবার টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভাঙে ফরাসিদের।

এবারের বিশ্বকাপেও শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদারদের একটি ছিল ফ্রান্স। এমবাপ্পের নেতৃত্বে দাপুটে পারফরম্যান্সে সেটি প্রমাণও করে যাচ্ছিল তারা। কিন্তু উড়তে থাকা দলটিকে সেমিফাইনালে মাটিতে নামিয়ে আনে স্পেন; ২-০ গোলে হেরে যায় ফরাসিরা। পরে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জেতে স্প্যানিশরা।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত আসরে সর্বোচ্চ ১০ গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জেতেন এমবাপ্পে। বিশ্ব মঞ্চ থেকে বিদায় নেওয়ার পর খুব বেশি কিছু বলেননি তিনি। টুর্নামেন্ট শেষের আট দিন পর ইনস্টাগ্রামে বিশাল এক বার্তায় নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

ইনস্টাগ্রাম বার্তায় এমবাপ্পে লেখেন, আমরা দলগত শিরোপাটি জিততে পারিনি। এটা কষ্টদায়ক, আর এই খারাপ লাগা আরও কিছুদিন থাকবে, আমি সেটা অস্বীকার করব না। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করছি, তবে ট্রফিটা জিততে পারলে আরও বেশি ভালো লাগত।

সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এমবাপ্পে বলেন, সম্ভবত আপনাদের আরও সুন্দর একটি সমাপ্তি প্রাপ্য ছিল। কিন্তু গল্পের শেষটা সবসময় আমাদের হাতে থাকে না; মাঠে আমরা কী করতে পারি সেটাই কেবল আমাদের হাতে থাকে, আর আমরা নিজেদের উজাড় করে দিয়েছি। এটা নিয়ে আমরা গর্বিত।

এমবাপ্পের পাশাপাশি এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসেও। ছয়টি গোল করেন দেম্বেলে, অ্যাসিস্ট করেন দুটি। আর কোনো গোল করতে না পারা ওলিসে এক আসরে সবচেয়ে বেশি সাতটি অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েন।

সতীর্থদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে এমবাপ্পে বলেছেন, তার পাওয়া গোল্ডেন বুট দলের সবার অর্জন।

এমবাপ্পে বলেন, সতীর্থদের ধন্যবাদ। তাদের কঠোর পরিশ্রম, মাঠে অবিরাম ছুটে চলা ও দারুণ সব পাস ছাড়া এবং প্রথম থেকে শেষ ম্যাচ পর্যন্ত যে দলীয় চেতনা আমাদের এগিয়ে নিয়েছে, সেটা ছাড়া আমি কখনোই এতগুলো গোল করতে পারতাম না। এই পুরস্কার (গোল্ডেন বুট) যেমন আমার, তেমনি পুরো দলেরও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ