• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
‘সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা মহান পেশা, স্ব-স্ব মহিমায় দায়িত্ব পালন করুন’: নিতাই রায় চৌধুরী ‎ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন ভুয়া অডিও ও এআই জালিয়াতি: সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীতে বংশালে মানবিক সহায়তা: মো. আব্দুর রহমানের বিশেষ উদ্যোগ। ছাত্রদল থেকে বহিষ্কৃত ইয়াসিনের গ্রেপ্তারের দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ৩৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শাহাদাত হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রাজনৈতিক প্রভাবে নিজ জেলায় কর্মরত চিকিৎসক দম্পত্তি। প্রতিহিংসা এবং স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ। নিজের জীবন বাজি রেখে বিএনপির রাজনীতির পথচলায় ক্বারী — কে এই ক্বারী? গ্যাস নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিল সরকার, জারি হলো প্রজ্ঞাপন

হাইকোর্টে উপদেষ্টা হাসান আরিফের জানাজা অনুষ্ঠিত

রিপোর্টার নাম: / ১৪৪ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 

জানাজায় বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, ড. কামাল হোসেন, ব‍্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম, দুদক চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ অন্যান্য আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। 

পরে মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে তৃতীয় নামাজে জানাজার উদ্দেশে তার মরদেহ সচিবালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।  

এ সময় স্মৃতিচারণ করে ড. কামাল বলেন, ‘তিনি সৎ ও নিষ্ঠাবান ছিলেন। দল-মত নির্বিশেষে তিনি সবার পাশে ছিলেন, আইনি সহায়তা দিয়েছেন। আমরা তাকে হারিয়ে শোকাহত।’ 

এর আগে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এ এফ হাসান আরিফ। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। এছাড়া তিনি ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। 

এ এফ হাসান আরিফ ১৯৪১ সালের ১০ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ সালে কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন তিনি। ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং সে সময় থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইনপেশা পরিচালনা করে আসছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ