• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
রাজধানীর ২নং ওয়ার্ডে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ‘জনতার কাউন্সিলর’ মীর ইমরান হোসেন মিথুনের ইফতার বিতরণ আলভীর সঙ্গে ‘সম্পর্ক’ নিয়ে মুখ খুললেন তিথি মার্কিন দূতাবাসে হামলা, ব্যক্তিগত বিমানে সৌদি ছাড়লেন রোনালদো কড়াইল বস্তিতে ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘হাইকোর্ট না রাজপথ’ স্লোগান দিতে বাধ্য করবেন না: নাহিদ ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে ইসরাইলের হামলা স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্রধান আসামি আলভী ও তিথি আলভী আমার মেয়েকে মেরে ফেলছে: ইকরার বাবা অপরাজিত থেকেই সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা, শেষ চারে প্রতিপক্ষ কে? ইরানের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের কড়া পদক্ষেপ

স্ত্রীকে সংসারে ফেরত নাপাঠানোয় সম্বন্ধীকে হত্যায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিপোর্টার নাম: / ১২০ জন দেখেছে
আপডেট : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫

নড়াইলে রুকু শেখ হত্যা মামলায় কুদ্দুস ফকির (৫৪) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি ) বেলা সাড়ে ১১ টায় নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো.শাজাহান আলী এ রায় দেন।

 

সাজাপ্রাপ্ত কদ্দুস ফকির কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার চোরখালি দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত প্রান ফকিরের ছেলে।

 

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এডভোকেট তারিকুজ্জামান লিটু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদির ননদ নড়াগাতি থানার চোরখালি উত্তর পাড়া গ্রামের চায়না বেগমের সাথে আনুমানিক ৩০ বছর পূর্বে দক্ষীণপাড়া গ্রামের কুদ্দুস ফকিরের ইসলামি শরিয়তে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবাবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ঝগড়া ঝাটি ও চায়নাকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করে কুদ্দুস শেখ। এরই এক পর্যায়ে প্রায় ৩ বছর পূর্বে চায়না বেগম স্বামীর সংসার ত্যাগ করে চলে আসে। ঘটনার এক মাস পূর্ব থেকে কুদ্দুস ফকির চায়নাকে সংসারে ফেরত নিতে চায়।

 

এরপর বিগত ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর সকালে গ্রামের রুকু শেখ গোসল করার জন্য বাড়ির পার্শ্ববর্তী নবগঙ্গা নদীর ঘাটে যাচ্ছিলেন। প্রতিমধ্যে নির্মানাধীন নতুন ফেরী ঘাটের পূর্ব পার্শ্বে পৌছালে কুদ্দুস ফকির রুকু শেখকে তার স্ত্রী চায়নাকে তার বাড়িতে ফেরত দেয়ার জন্য বলে। রুকু শেখ রাজি না হওয়ায় কুদ্দুস লোহার তৈরী শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর জখম হয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বড়দিয়া বাজার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এরপর তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে এ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

 

এ ঘটনায় ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর নিহতের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম কুদ্দুস ফকিরকে আসামি করে নড়াগাতি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার রায়ের ধার্য দিনে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাজাহান আলী এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ