• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালকে নেওয়া হলো দিল্লিতে

অনলাইন ডেক্স / ৪৬ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালকে নেওয়া হলো দিল্লিতে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দিল্লিতে নিয়ে গেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। আদালতের অনুমতি নিয়ে ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের সেখানে নেওয়া হয়েছে, যেখানে নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে এ-সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

গত রোববার কলকাতার বিধাননগর মহকুমা আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়। পরদিন সোমবার এনআইএ আদালতে আবেদন করে তাদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য। শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয় এবং বিচারক এনআইএর আবেদন মঞ্জুর করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।

এরপর সোমবার রাতেই দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে এনআইএর হেফাজতে নেওয়া হয় এবং রাতের ফ্লাইটে দিল্লিতে পাঠানো হয়।

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার তাদের দিল্লির এনআইএ আদালতে তোলা হবে, যেখানে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

তবে এই মামলায় ভারতে গ্রেপ্তার তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেনি এনআইএ।

রোববার আদালত ফয়সাল ও আলমগীরকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছিলেন। আদালতে আনা-নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে।

সিসিটিভি ফুটেজে তার উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দাবি করেন, ফুটেজে তাকে গুলি করতে দেখা যায়নি এবং তিনি ঘটনাস্থলেও ছিলেন না।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) জানায়, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে তার মৃত্যু হয়।

তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে এবং গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এর মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছে। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ