• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
‘সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা মহান পেশা, স্ব-স্ব মহিমায় দায়িত্ব পালন করুন’: নিতাই রায় চৌধুরী ‎ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন ভুয়া অডিও ও এআই জালিয়াতি: সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীতে বংশালে মানবিক সহায়তা: মো. আব্দুর রহমানের বিশেষ উদ্যোগ। ছাত্রদল থেকে বহিষ্কৃত ইয়াসিনের গ্রেপ্তারের দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ৩৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শাহাদাত হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রাজনৈতিক প্রভাবে নিজ জেলায় কর্মরত চিকিৎসক দম্পত্তি। প্রতিহিংসা এবং স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ। নিজের জীবন বাজি রেখে বিএনপির রাজনীতির পথচলায় ক্বারী — কে এই ক্বারী? গ্যাস নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিল সরকার, জারি হলো প্রজ্ঞাপন

সেনা গুপ্তচরদের সহায়তায় মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের অগ্রগতি

রিপোর্টার নাম: / ১২৬ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

মিয়ানমারের এক সময়কার দুর্ভেদ্য সামরিক বাহিনীতে এখন ভেতর থেকে ফাটল ধরেছে। গণতন্ত্রপন্থি বিদ্রোহীদের পক্ষে কাজ করা গুপ্তচরদের কারণে সামরিক শাসন দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

সামরিক বাহিনী বর্তমানে মিয়ানমারের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ভূখণ্ডের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম রয়েছে। তবে গত ১২ মাসে তারা উল্লেখযোগ্য ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।

সেনাবাহিনীর এই গুপ্তচরদের ‘ওয়াটারমেলন’ (তরমুজ) বলা হয়। বাহ্যিকভাবে তারা সামরিক বাহিনীর প্রতি অনুগত হলেও, ভেতরে তারা বিদ্রোহীদের প্রতি অনুগত। এই বিদ্রোহের প্রতীকী রঙ লাল।

মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের কিয়াও ছদ্মনামের একজন মেজর জানান, সামরিক বাহিনীর নির্মমতা তাকে বিদ্রোহীদের পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, আমি নির্যাতিত নাগরিকদের লাশ দেখেছি। এটা দেখে আমি চোখের পানি আটকাতে পারিনি। আমরা নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য শপথ নিয়েছি, কিন্তু এখন আমরাই তাদের হত্যা করছি।

গুপ্তচরদের সরবরাহ করা তথ্য বিদ্রোহীদের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সফল হামলা চালাতে সাহায্য করছে। বিদ্রোহী নেতাদের একজন ডেভা জানান, বিদ্রোহীদের মূল লক্ষ্য ইয়াঙ্গুন দখল করা। তবে এটি সহজ নয়। শত্রুপক্ষ এই শহর ছাড়তে এত সহজে রাজি হবে না।

গুপ্তচরদের জীবন প্রতিনিয়ত বিপদের মুখে থাকে। কিয়াও বলেন, সামরিক বাহিনীর সন্দেহ এড়াতে তিনি বাহ্যিকভাবে তাদের প্রতি অনুগত থাকার ভান করেন।
নৌবাহিনীর করপোরাল মোয়ে নামের আরেক গুপ্তচর বলেন, আমি আমার পরিবারের জন্য বেঁচে থাকতে চেয়েছিলাম।

বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে গুপ্তচরদের ভবিষ্যতে সম্মানিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্রোহী নেতা উইন আউং। তিনি বলেন, এই বিপ্লব শেষ হলে, আমরা তাদের সম্মান দিয়ে তাদের পছন্দ অনুযায়ী জীবন গড়তে সাহায্য করব।

বিবিসির পক্ষ থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ