• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

প্রিন্স অ্যান্ড্রুর ঘনিষ্ঠ সন্দেহভাজন চীনা গুপ্তচরের যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

রিপোর্টার নাম: / ৯২ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য সম্পর্ক থাকা এক সন্দেহভাজন চীনা গুপ্তচরকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দেশটির একটি অভিবাসন ট্রাইবুনাল বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) এই সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে। 

তাদের সিদ্ধান্তে বলা হয়, সন্দেহভাজন ওই চীনা নাগরিক প্রিন্স অ্যান্ড্রুর এতটাই ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন যে, তিনি প্রিন্সের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পান। 

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। 

সরকারি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের হয়ে কাজ করছিলেন। তারা বিদেশি ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর  ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরকারের দাবি, চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্ক স্থাপনে সক্ষম ছিলেন ওই ব্যক্তি। এসব সম্পর্ক ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জন্য চীন চেষ্টা করতে পারতো বলে তারা ধারণা করেন।

প্রিন্স অ্যান্ড্রুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি কোনও গোপন উপায়ে নয়, বরং আনুষ্ঠানিকভাবেই ওই ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তবে তাদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল কোনও বিষয়ে আলোচনা হয়নি। সরকারের পরামর্শ মোতাবেক ওই চীনা নাগরিকের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করেছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু।

কিং চার্লস তৃতীয় ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু এর আগেও অন্যদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্যতার জন্য সমালোচিত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, রাজপরিবারে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন তারা।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীনের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-ফাইভ। ২০২২ সালে সংস্থাটি জানায়, এক ব্রিটিশ-চাইনিজ আইনজীবী দীর্ঘদিন ধরে পার্লামেন্ট সদস্যদের ওপর প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছিলেন। পরের বছর চীনের কাছে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহের অভিযোগে অন্য এক পার্লামেন্টারি গবেষক গ্রেফতার হন।

৫০ বছর বয়সী এই চীনা নাগরিক ২০০২ সালে যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থী হিসেবে আসেন। ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে জনপ্রশাসন ও জননীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি একটি ব্যবসা শুরু করেন। যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক কোম্পানিগুলোকে চীনে কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেওয়া হত তার প্রতিষ্ঠান থেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ