• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
দুই মাস আগের হুমকির বাস্তবায়ন: সাংবাদিকের বাসায় ঢুকে লুটপাট ও হামলা ‘সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা মহান পেশা, স্ব-স্ব মহিমায় দায়িত্ব পালন করুন’: নিতাই রায় চৌধুরী ‎ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে ৪০ ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন ভুয়া অডিও ও এআই জালিয়াতি: সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীতে বংশালে মানবিক সহায়তা: মো. আব্দুর রহমানের বিশেষ উদ্যোগ। ছাত্রদল থেকে বহিষ্কৃত ইয়াসিনের গ্রেপ্তারের দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ৩৩ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রী মহলের অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদ শাহাদাত হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রাজনৈতিক প্রভাবে নিজ জেলায় কর্মরত চিকিৎসক দম্পত্তি। প্রতিহিংসা এবং স্বেচ্ছাসারিতার অভিযোগ। নিজের জীবন বাজি রেখে বিএনপির রাজনীতির পথচলায় ক্বারী — কে এই ক্বারী?

ইরানের দেড় শতাধিক শিশু হত্যা করে কাঠগড়ায় মার্কিন সেনারা

আস্তর্জাতিক ডেক্স / ১০৪ জন দেখেছে
আপডেট : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
ইরানের দেড় শতাধিক শিশু হত্যা করে কাঠগড়ায় মার্কিন সেনারা

গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই আগ্রাসন শুরুই করে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ১৮০শিশুকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে মার্কিন সেনারা। অবশেষে এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে ওয়াশিংটন।

দুই আমেরিকান কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স সংবাদ সংস্থা জানায়, মার্কিন সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন যে, ইরানের মিনাবের শাজরা তাইয়িবা বালিকা বিদ্যালয়ে বিমান হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী দায়ী ছিল।

যদিও তারা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি বা তাদের তদন্ত শেষ করেননি বলে জানিয়েছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মিনাবের স্কুলটিতে হামলায় সবচেয়ে বেশি সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে জানায়, এতে ১৮০ জন নিহত হয়েছে, প্রায় সবাই শিশু।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কেউই এর দায় স্বীকার করেনি। ইসরাইল বলেছে, তারা ওই এলাকায় কোনো অভিযানের কথা জানে না। আর যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ঘটনাটি এখনো তদন্ত করা হচ্ছে এবং তারা কখনো বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা করে না।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে আমেরিকার দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। অবশ্য তারা নতুন প্রমাণ পাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি, যা যুক্তরাষ্ট্রকে দায়মুক্ত করে এবং এই ঘটনার জন্য অন্য কোনো পক্ষের দিকে ইঙ্গিত দিতে পারে।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের স্কুলটির পাশে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বা আইআরজিসির ঘাঁটি ছিল। সেই জায়গাজুড়ে কাছাকাছি সময়ে একাধিক হামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি ভেরিফাই।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারের ইন্সটাগ্রামের একটি পোস্ট থেকে দেখা যায়, আমেরিকা-ইসরাইলের যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টার মানচিত্রে ইরানের দক্ষিণে হামলার স্থান ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চিহ্নিত করা হয়েছে যার মধ্যে মিনাবও ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো নিউজ